চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কলাবাড়ি গ্রামে স্বামী-সন্তান ফেলে পরকীয়া প্রেমিক মুকুলের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন শ্যামলী খাতুন নামে এক গৃহবধূ।

এতে মুকুলের কোনো আপত্তি না থাকলেও বাধ সাধে তার ছেলে হাসান। সোমবার সকালে সে তার বাবার প্রেমিকা শ্যামলী খাতুনকে পিটিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মুকুল (৩৫) ও তার ছেলে হাসান আলীকে (১৬) আটক করে। প্রেমিক মুকুল উপজেলার কলবাড়ি গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের আসান আলী ও দামুড়হুদা উপজেলার কলবাড়ি গ্রামের মুকুলের মধ্যে মাদক ব্যবসা নিয়ে সখ্য ছিল।

আসানের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াতের সুবাদে তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুনের সঙ্গে মুকুলের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই জেরে শ্যামলী খাতুন চারদিন ধরে স্বামী-সন্তান ফেলে বিয়ের দাবিতে মুকুলের বাড়িতে অবস্থান নেয়।

এতে মুকুলের কোনো আপত্তি না থাকলেও বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি তার স্ত্রী ও ছেলে হাসান আলী। সোমবার সকালে শ্যামলীকে পিটিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে হাসান আলী।

দামুড়হুদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে মুকুল ও তার ছেলে হাসানকে আটক করা হয়েছে।