আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড গড়েই যাচ্ছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের ক্রিকেট ক্যারিয়ার অপূর্ণতা ছিল বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি।

শনিবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কার্ডিফে শতরানের ম্যাজিক ফিগার গড়ার মধ্য দিয়ে সেই অপূর্ণতা ঘুচালেন সাকিব।

এদিন ৯৫তম বলে সেঞ্চুরি করেন সাকিব। বিশ্বকাপে এটা বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগের বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহ ১১১ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১১৯ বলে ১২টি চার ও এক ছক্কায় ১২১ রান করেন সাকিব আল হাসান।

বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি করার পর সাকিব বলেন, প্রথম বিশ্বকাপ শতক, ভালো লাগা স্বাভাবিক। দল জিতলে আরো ভালো লাগত। দলের পরিকল্পনা তো থাকেই। কিন্তু মারমুখো ব্যাটিং এলে অনেক সময় কোনো পরিকল্পনাই কাজে আসে না। মাঠ খুব ছোট ছিল। আমাদের বোলারদের বল ব্যাটসম্যানরা সোজাই বেশি খেলেছে।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৮৭ রানের পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১০৬ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। দলের পরাজয় নিয়ে সাকিব বলেন, পরাজয়ে কিছু নেতিবাচক দিকও আমাদের ছিল। আসলে কারণ দেখানো যেতেই পারে। চেষ্টা করতে হবে পরের ম্যাচে মাঠের যে অবস্থাই থাক যে কন্ডিশনই থাক আমরা যেন মানিয়ে নিতে পারি।

সাকিব আরও বলেন, আমরা কখনোই এমন ভাবছিলাম না যে রানটা তাড়া করা যাবে না। তবে এটা কঠিন ছিল, শুরু থেকেই। একটা সময় আমাদের মনে হচ্ছিল জিততে না পারলেও আমরা খুব কাছে যেতে পারব। আমাদের এই বিশ্বাসই ছিল।

৬৩ রানে দুই ওপেনারের বিদায়েরর পর মুশফিকের সঙ্গে সাকিব গড়েন ১০৬ রানের জুটি। সেই জুটি নিয়ে বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার বলেন, ভালোই আমাদের পার্টনারশিপ হচ্ছিল। তবে একসঙ্গে দুইটা উইকেট পড়ার পরই আমরা পেছনে চলে গেছি। ৩২০-৩৩০ রান হলে আমরা স্বাচ্ছন্দে জিততে পারতাম।

প্রসঙ্গত, ওয়ানডে ক্রিকেটে এ পর্যন্ত ২০১টি ম্যাচ খেলে ৮টি সেঞ্চুরি করেছেন সাকিব। তবে টেস্টের ৫৫ ম্যাচে পাঁচটি সেঞ্চুরি এবং ২৫টি ফিফটি রয়েছে দেশসেরা এ ক্রিকেটারের। ওয়ানডে ও টেস্ট মিলে সাকিবের মোট সেঞ্চুরি হলো ১৩টি।