দখল থেকে নদীগুলোকে মুক্ত করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

49
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গাকে আগের রুপে ফিরিয়ে আনতে নৌ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, বুড়িগঙ্গাকে বাঁচাতে হবে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে নৌকা চলাচল এবং মালবহনের উপযোগী করা হবে।

শনিবার দুপুরে কামরাঙীরচরের খোলামুড়া ঘাটে বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী অংশে সৌন্দর্য বর্ধনের উদ্বোধণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নদীগুলো ভয়ানকভাবে দখল হয়ে গেছে। এগুলো উদ্ধারে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা দখল থেকে নদীগুলোকে মুক্ত করব। নদীর প্রবাহকে আগের অবস্থায় ফিরে আনব। এই এলাকার আশেপাশের নদী অংশকে এমনভাবে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য কাজ করব। যাতে করে এই এলাকা একটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠে।

এসময় নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এড. কামরুল ইসলাম এমপি, হাজী সেলিম এমপি, কলামিস্ট আবুল মকসুদ, নৌ সচিব আবদুস সামাদ, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান মাহবুব আলমসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কমিশনারবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করে মানুষের জীবিকার জন্য ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তুলব। মানুষ নদীপথে আয় করবে। আমি সেই ব্যবস্থাই করব।

সাংসদ এড. কামরুল ইসলাম বলেন, আমি এই এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে বুড়িগঙ্গার সৌন্দর্য বর্ধনে আমার দায়িত্ব রয়েছে। আমি সেই দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। আজকে নদীগুলোকে দখলমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন তার জন্য তাকে এলাকার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, কামরাঙীরচর এক সময় সুলতানগন্জ ইউনিয়ন ছিল। এখন এই এলাকা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়। ৩ টি ওয়ার্ডে (৫৫,৫৬,৫৭) বিভক্ত হয়েছে কামরাঙীরচর।

তিনি আরও বলেন, আপনারা হাতিরঝিল দেখেছেন। ইনশাআল্লাহ আমরা এই কামরাঙীরচরকে হাতিরঝিলের আদলে গড়ে তুলব। যে দল যখন ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের ঘাড়ে পা দিয়ে তারা নদী দখল করেন। বঙ্গবন্ধু নদী খনন করার জন্য বলেছেন। নদীর পানি কমে যাওয়ার একমাত্র কারণ হল নদী দখল করে ভরাট করা।