বান্দরবানে তিনদিনের বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

70
বান্দরবানে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

এম এইচ বাবুল খাঁন, বান্দরবান: বান্দরবানে গত তিনদিন ধরে থেমে থেমে ভারি বর্ষণে জেলা সদরের অনেক স্থানে বৃষ্টির পানি জমে সড়কে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও পাহাড় ধসের হওয়ার আশঙ্কায় জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে, অতি বর্ষণে অনেকটা কর্মহীন হয়ে পড়ছে নিন্ম আয়ের মানুষ। জেলা সদরে ইসলামপুর, আর্মিপাড়া, শেরে বাংলা নগরসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে, ফলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে এমনি আশংকা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এদিকে ভারী বর্ষণের কারণে জেলার সাংগু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ন স্হানে বসবাসরত জনসাধারণকে সরে যেতে মাইকিং করেছে প্রশাসন, খোলা হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্র। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

ভারী বর্ষণে বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যাতায়ত ঝুঁকির কারনে উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটক যাতায়াতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। মেটোফোনে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুল জানান, অতি বর্ষণে সাঙ্গু নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌপথে থানচির পর্যটনকেন্দ্রগুলো ভ্রমণে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে হতে পারে পর্যটকদের। এছাড়াও নদীতে পানি বেশি হওয়ার নৌ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ঘুরতে আসলেও পাওয়া যাবে না কোন নৌকা। স্থানীয়রাও নদী পথে যাতায়াত বন্ধ রেখেছেন, তবে নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হলে পর্যটকরা থানচিতে বেড়াতে আসতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ইউএনও।

প্রসঙ্গত, থানচির নাফাখুম, আমিয়াখুম, ভেলাখুম, বড় পাথর, রেমাক্রী, আন্ধারমানিক, তিন্দু ও বড় মদক এলাকায় প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমন করতে আসে।

অতি বর্ষণে সাঙ্গু নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায়, নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণে থানচির এসব পর্যটন এলাকায় ভ্রমনে যাওয়ার জন্য এখন কোন পর্যটককে অনুমতি দিচ্ছে না স্হায়ি প্রশাসন।